নর্গঠন করুন ও পুনরুদ্ধার করুন আমাদের কণ্ঠস্বর ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য — আমরা বিশ্বাস করি, সচেতনতা, ঐক্য ও সঠিক নেতৃত্ব সমাজে প্রকৃত উন্নয়নের ভিত্তি তৈরি করে। তাই চলুন আমরা আমাদের শক্তি, মতামত ও মূল্যবোধকে নতুনভাবে সাজিয়ে আবারও দৃঢ় কণ্ঠে উচ্চারণ করি সত্য, ন্যায় ও অগ্রগতির বার্তা। একসাথে পথ চললে পরিবর্তন সম্ভব, আর সেই পরিবর্তনই তৈরি করবে একটি সমৃদ্ধ, স্বচ্ছ ও মানবিক ভবিষ্যৎ।
User 1

স্মৃতিচারণ

রাজবাড়ীর সোনালি অতীত, মধুর স্মৃতি এবং আবেগময় মুহূর্তগুলি যা আমাদের হৃদয়ে চিরকাল অম্লান

"স্মৃতি হলো হৃদয়ের এক অমূল্য সম্পদ, যা সময়ের সাথে সাথে আরও মূল্যবান হয়ে ওঠে। রাজবাড়ীর প্রতিটি গলি, প্রতিটি মোড়ে লুকিয়ে আছে আমাদের শৈশবের হাজারো স্মৃতি।"

— রাজবাড়ী প্রবীণ সংগঠন

স্মৃতির পাতা থেকে

রাজবাড়ীর মানুষের মনের কথা, তাদের অভিজ্ঞতা এবং স্মৃতিকথা

পদ্মা নদীর স্মৃতি
১৯৮৫ সাল

পদ্মা নদীর তীরে শৈশব

আব্দুল করিম - অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক

ছোটবেলায় বর্ষার দিনে পদ্মা নদীর তীরে খেলা করার স্মৃতি এখনও মনে পড়ে। নদীর ঢেউয়ের শব্দ, বর্ষার বৃষ্টি আর আমাদের হাসির শব্দ মিলেমিশে একাকার হয়ে যেত। সেই দিনগুলো ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর সময়। পদ্মার ঘাটে দাঁড়িয়ে সূর্যাস্ত দেখা, মাছ ধরা, আর বন্ধুদের সাথে গল্প করা - এই সব স্মৃতি আজও আমাকে আবেগাপ্লুত করে।

শৈশব পদ্মা নদী স্মৃতি বর্ষাকাল
স্কুলের স্মৃতি
১৯৯২ সাল

রাজবাড়ী সরকারি স্কুলের দিনগুলি

ফাতেমা খাতুন - গৃহিণী

স্কুলের সেই বিশাল খেলার মাঠ, বট গাছের ছায়া, আর টিফিনের সময় বন্ধুদের সাথে আড্ডা - এসব স্মৃতি আজও চোখে ভাসে। আমাদের প্রিয় শিক্ষকদের কথা মনে পড়ে, যারা শুধু পড়াশোনাই নয়, জীবনের অনেক মূল্যবান শিক্ষা দিয়েছেন। বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান - প্রতিটি মুহূর্ত ছিল অবিস্মরণীয়।

শিক্ষা বন্ধুত্ব স্কুল জীবন
পহেলা বৈশাখ
১৯৯৮ সাল

পহেলা বৈশাখের উৎসব

মোহাম্মদ রহিম - ব্যবসায়ী

রাজবাড়ীর পহেলা বৈশাখ ছিল এক অন্যরকম আনন্দের দিন। সকাল থেকে শুরু হত মেলা, রঙিন পোশাক, পান্তা-ইলিশ খাওয়ার আয়োজন। বাউল গান, পুতুল নাচ, নাগরদোলা - সব মিলিয়ে এক অপূর্ব পরিবেশ তৈরি হত। পুরো শহর যেন এক উৎসবে মেতে উঠত। আমাদের বাংলা সংস্কৃতির এই উৎসব আজও আমার মনে উজ্জ্বল হয়ে আছে।

উৎসব বৈশাখ সংস্কৃতি
গ্রামের বাড়ি
২০০৫ সাল

গ্রামের বাড়িতে ঈদের আনন্দ

সালমা আক্তার - ব্যাংক কর্মকর্তা

ঈদের আগের রাতে চাঁদ দেখা, সকালে নতুন জামা পরা, আর পরিবারের সবার সাথে ঈদের নামাজে যাওয়া - এসব স্মৃতি হৃদয়ে গেঁথে আছে। গ্রামের বাড়িতে আত্মীয়স্বজনদের সাথে মিলন, সেমাই-পায়েস খাওয়া, আর ছোটদের ঈদি দেওয়ার আনন্দ ছিল অতুলনীয়। পুরো গ্রাম যেন একটি পরিবারের মতো মিলেমিশে ঈদ উদযাপন করত।

ঈদ পরিবার গ্রাম উৎসব